ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫, ২৩ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo আওয়ামী লীগ উন্নয়ন যজ্ঞের নামে লুটপাট চালিয়ে গেছে-মোস্তাক আহমেদ খাঁন Logo বোয়ালখালীতে নুরুল ইসলাম চেয়ারম্যান স্মৃতি ফাউন্ডেশনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল Logo বোয়ালখালীতে মূল্য নিয়ন্ত্রণে অভিযান, ৫ ব্যবসায়ীকে জরিমানা Logo বোয়ালখালীতে এনসিপি’র গণ-ইফতার ও দোয়া মাহফিল Logo বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্মসচিব Logo পটিয়ায় ক্বলবুল কুরআন ফাউন্ডেশনের গজল প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo বোয়ালখালীতে শিশু অপহরণে জড়িত দুই আসামী গ্রেপ্তার,মুক্তিপণের ৪ লাখ টাকা উদ্ধার Logo বোয়ালখালীতে ঈদ উপহার পেলেন ১১ মসজিদের অর্ধশতাধিক ইমাম-মুয়াজ্জিন-হাফেজ Logo বোয়ালখালীতে আহলা দরবারে মওলা আলী (রাঃ) এর ওরসে পাক ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo বোয়ালখালীতে ঈদ উপহার হিসেবে বিনামূল্যে চাল বিতরণ
ই-পেপার দেখুন

শবেবরাতে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত নেই

  • বার্তা কক্ষ ::
  • আপডেট সময় ০৭:৫১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩
  • ৮২১ বার পঠিত

ডেক্স::শবেবরাতের নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত ও আমল নেই। তবে বিশেষ কিছু আমল করা যায়। আর বিশুদ্ধ মতানুসারে শবেবরাত ও শবেকদরের নফল আমলগুলো একাকী করণীয়। ফরজ নামাজ অবশ্যই মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার, তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। তবে এ আমলগুলো করা যায়

১. এশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা।

২. দীর্ঘ সেজদায় দীর্ঘ নফল নামাজ পড়া। দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব এবং যে সুরা দিয়ে সম্ভব পড়তে থাকা। নির্দিষ্ট সুরা ও নির্ধারিত রাকাত-সংখ্যার কোনো নিয়ম নেই। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘এ রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজে অনেক দীর্ঘ সময় ধরে সেজদাবনত অবস্থায় পড়ে থাকতেন।’ (শুআবুল ঈমান বায়হাকি, হাদিস : ৩৫৫৪, তুহফাতুল আহওয়াজি : ৩/৩৬৭)

৩. সালাতুল হাজত পড়া। মনের নেক আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আল্লাহর রহমতের শরণাপন্ন হয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়া। এরপর আল্লাহর প্রশংসা ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি সালাম প্রেরণ করে আল্লাহর কাছে মনোবাসনা পূরণের জন্য দোয়া করা। (তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ)

৪. সালাতুত তাসবিহ পড়া। এটি চার রাকাতবিশিষ্ট নফল নামাজ। প্রতি রাকাতে ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ ৭৫ বার করে চার রাকাতে মোট ৩০০ বার পড়া। হাদিসে আছে, ‘মহান আল্লাহ এ নামাজ আদায়কারীর প্রথম-শেষ, অতীত-বর্তমান, ইচ্ছাকৃত-অনিচ্ছাকৃত, ছোট-বড় এবং প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১২৯৭, রদ্দুল মুহতার : ২/২৭)

৫. বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ শরিফ পাঠ, জিকির-আজকারে মশগুল থাকা। (সুরা আহজাব, আয়াত : ৪১, মুসলিম, হাদিস : ৪০৮, দারেমি, হাদিস : ৩৩৮৪)

৬. তাওবা-ইস্তেগফার করা, সব মুমিন-মুসলমানের ইহকালীন-পরকালীন কল্যাণ ও ক্ষমাপ্রার্থনা করা এবং দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কান্নাকাটি করে রাত কাটিয়ে দেওয়া। রাসুল (সা.) বলেন, ‘কাঁদো! যদি কাঁদতে না পারো তাহলে কাঁদার ভান করো।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১৯৬)

৭. তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত নফল নামাজ আদায় করা হয়। এটাকে ‘সালাতুল লাইল’ বা তাহাজ্জুদ নামাজ বলে। তাহাজ্জুদ শেষ রাতে পড়া উত্তম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্কৃষ্ট নামাজ হচ্ছে রাতের তাহাজ্জুদ নামাজ।’ (মুসলিম, হাদিস : ১১৬৩, ফাতাওয়া দারুল উলুম : ৪/২২৩, ২২৭)

৮. শবেবরাতের পরের দিন রোজা রাখা। এটি মুস্তাহাব আমল। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা অর্ধ শাবানের রজনী ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোজা রাখো।’ তা ছাড়া শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখার কথা সহিহ হাদিসে এসেছে এবং ওই দিন ‘আইয়ামে বিজ’ (চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ)-এর অন্তর্ভুক্ত। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৩৮৮, লাতায়িফুল মাআরিফ : ১/১৫১-১৫৭)

সূত্র ‌° কালের কন্ঠ ::

ট্যাগস :

আপনার মতামত লিখুন

আওয়ামী লীগ উন্নয়ন যজ্ঞের নামে লুটপাট চালিয়ে গেছে-মোস্তাক আহমেদ খাঁন

শবেবরাতে নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত নেই

আপডেট সময় ০৭:৫১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ মার্চ ২০২৩

ডেক্স::শবেবরাতের নির্দিষ্ট কোনো ইবাদত ও আমল নেই। তবে বিশেষ কিছু আমল করা যায়। আর বিশুদ্ধ মতানুসারে শবেবরাত ও শবেকদরের নফল আমলগুলো একাকী করণীয়। ফরজ নামাজ অবশ্যই মসজিদে জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। এরপর যা কিছু নফল পড়ার, তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। তবে এ আমলগুলো করা যায়

১. এশা ও ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা।

২. দীর্ঘ সেজদায় দীর্ঘ নফল নামাজ পড়া। দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব এবং যে সুরা দিয়ে সম্ভব পড়তে থাকা। নির্দিষ্ট সুরা ও নির্ধারিত রাকাত-সংখ্যার কোনো নিয়ম নেই। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘এ রাতে রাসুলুল্লাহ (সা.) নামাজে অনেক দীর্ঘ সময় ধরে সেজদাবনত অবস্থায় পড়ে থাকতেন।’ (শুআবুল ঈমান বায়হাকি, হাদিস : ৩৫৫৪, তুহফাতুল আহওয়াজি : ৩/৩৬৭)

৩. সালাতুল হাজত পড়া। মনের নেক আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আল্লাহর রহমতের শরণাপন্ন হয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়া। এরপর আল্লাহর প্রশংসা ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি সালাম প্রেরণ করে আল্লাহর কাছে মনোবাসনা পূরণের জন্য দোয়া করা। (তিরমিজি ও ইবনে মাজাহ)

৪. সালাতুত তাসবিহ পড়া। এটি চার রাকাতবিশিষ্ট নফল নামাজ। প্রতি রাকাতে ‘সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার’ ৭৫ বার করে চার রাকাতে মোট ৩০০ বার পড়া। হাদিসে আছে, ‘মহান আল্লাহ এ নামাজ আদায়কারীর প্রথম-শেষ, অতীত-বর্তমান, ইচ্ছাকৃত-অনিচ্ছাকৃত, ছোট-বড় এবং প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সব (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১২৯৭, রদ্দুল মুহতার : ২/২৭)

৫. বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ শরিফ পাঠ, জিকির-আজকারে মশগুল থাকা। (সুরা আহজাব, আয়াত : ৪১, মুসলিম, হাদিস : ৪০৮, দারেমি, হাদিস : ৩৩৮৪)

৬. তাওবা-ইস্তেগফার করা, সব মুমিন-মুসলমানের ইহকালীন-পরকালীন কল্যাণ ও ক্ষমাপ্রার্থনা করা এবং দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে কান্নাকাটি করে রাত কাটিয়ে দেওয়া। রাসুল (সা.) বলেন, ‘কাঁদো! যদি কাঁদতে না পারো তাহলে কাঁদার ভান করো।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪১৯৬)

৭. তাহাজ্জুদ নামাজ পড়া। ইশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত নফল নামাজ আদায় করা হয়। এটাকে ‘সালাতুল লাইল’ বা তাহাজ্জুদ নামাজ বলে। তাহাজ্জুদ শেষ রাতে পড়া উত্তম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে উত্কৃষ্ট নামাজ হচ্ছে রাতের তাহাজ্জুদ নামাজ।’ (মুসলিম, হাদিস : ১১৬৩, ফাতাওয়া দারুল উলুম : ৪/২২৩, ২২৭)

৮. শবেবরাতের পরের দিন রোজা রাখা। এটি মুস্তাহাব আমল। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমরা অর্ধ শাবানের রজনী ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাও এবং দিনের বেলা রোজা রাখো।’ তা ছাড়া শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখার কথা সহিহ হাদিসে এসেছে এবং ওই দিন ‘আইয়ামে বিজ’ (চন্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ)-এর অন্তর্ভুক্ত। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৩৮৮, লাতায়িফুল মাআরিফ : ১/১৫১-১৫৭)

সূত্র ‌° কালের কন্ঠ ::