logo

বৃহস্পতিবার ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ - ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৭ - ১২ই রজব, ১৪৪২ হিজরি

শিরোনাম

বাংলাদেশে কোন ওয়াজ মাহফিলে মাইক বন্ধ করা যাবে না- সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী
৮ জানুয়ারি, ২০২১

ডেক্স রিপোর্ট ঢাকা ::ধর্ম মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিঠির এক বৈঠক আজ ৬ জানুয়ারী বিকাল আড়াইটায় সংসদ ভবনে অনুষ্টিত হয়। বৈঠকে মাননীয় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী, সংসদীয় কমিঠির সভাপতি, কমিটির সিনিয়র সদস্য ও বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন (বিটিএফ) এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী সহ সংসদীয় কমিঠির সকল সদস্যবৃন্দ, ধর্ম মন্ত্রনালয়ের সচিব, ইসলামীক ফাউন্ডেশন এর মহাপরিচালক সহ ধর্ম মন্ত্রনালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংসদীয় কমিঠির বিগত সভায় কমিঠির সিনিয়র সদস্য মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী অনুপস্থিত ছিলেন। সেই সভায় করোনা মহামারীর অযুহাত দেখিয়ে সারা বাংলাদেশে ওয়াজ মাহফিল তথা ধর্মীয় অনুষ্টানে মাইক বন্ধ রাখার জন্য সিদ্ধান্ত আকারে প্রস্তাব গৃহীত হয়। আজকের সংসদীয় কমিঠির সভায় উক্ত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি পাশ করার জন্য আনিলে তাৎক্ষণিক সভায় উপস্থিত তরীকত ফেডারেশন এর চেয়ারম্যান সাংসদ সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী উক্ত প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, এ দেশ সূফী সাধকের দেশ, পীর আউলিয়ার দেশ, এদেশের সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ মুসলমান। এদেশে সারা রাত ধরে বিয়ের অনুষ্টান, বনভোজন ও প্যাকেজ অনুষ্টান এর নাম দিয়ে ডিজে বাজানো হবে আর ওয়াজ মাহফিলের জন্য মাইক বন্ধ রাখতে হবে তা আমি কখনো মানতে পারিনা। শুধু তাইনা এদেশের কোটি কোটি মুসলমান সুন্নী হোক, তরীকত পন্থী হোক আর কওমী হোক তা কখনো কেউ মেনে নিবে না। সকল শ্রেণির আলেম, পীর মাশায়েখ ওয়াজ মাহফিলে বক্তব্য রাখবেন। কিন্তু কেউ যদি সরকার বিরোধী বা রাজনৈতিক বক্তব্য দেয় তা সরকার তথা প্রশাসন দেখবে। তিনি আরো বলেন, যেখানে স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে তা অবশ্যই প্রশাসন মেনে চলবে। সেখানে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করিনা।

সভায় মাননীয় সাংসদ আরো বলেন, ওয়াজ মাহফিলে মাইক বন্ধ করা মানেই তো মাহফিল বন্ধ করার সামিল। সুতরাং এদেশে ওয়াজ মাহফিল তথা ধর্মীয় কোন অনুষ্টানে কৌশলে বাধা প্রদান ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে কোটি কোটি মুসলমানের অন্তরে রক্তক্ষরণ ‍সৃষ্টি হবে। তাই আমি একজন মুসলমান হিসেবে তা কখনো মেনে নিতে পারিনা। সভায় তিনি কঠোর হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, আজকে যদি এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহার করা না হয় তাহলে আমি আজকের সভা বর্জন করব এবং আগামীতে এ ব্যাপারে আলেম ওলামাদের নিয়ে আমি বৃহত্তর পরিসরে নতুন করে চিন্তা করব কি করা যায়।

সভায় মাননীয় সাংসদ এর তীব্র প্রতিবাদ ও প্রচন্ড বাধার মুখে ওয়াজ মাহফিলে মাইক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি খারিজ হয়ে যায়।

সর্বশেষ খবর

আরো খবর

আজকের সংবাদের প্রচারিত কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by SaraBpo