logo

বৃহস্পতিবার ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৯ - ২৭শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৬ - ১৪ই রবিউস-সানি, ১৪৪১

শিরোনাম

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সুড়ঙ্গের খোঁজ
৯ মার্চ, ২০১৭

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের খুব কাছে সদ্য কাটা একটি সুড়ঙ্গ খুঁজে পেয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।মেঘালয়ের তুরা সেক্টরে বুধবার পাহারা দেয়ার সময়ে একটি পাহাড়ের ঢালে দেখতে পাওয়া যায় সুড়ঙ্গটি।জায়গাটির নাম গুজংপাড়া। ঐ এলাকাতে ঘন জঙ্গল রয়েছে।কর্মকর্তারা বলেছেন, ভেতরে গিয়ে দেখা যায় যে সেটি কাঁটাতারের বেড়ার দিকেই এগিয়েছে প্রায় ৫০ ফুট মতো।সুড়ঙ্গটি সবেমাত্র কাটা হচ্ছিল, তার মাটি এখনও আলগা রয়েছে।এর আগে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে এ ধরণের সুড়ঙ্গের খোঁজ পাওয়া গেলেও পূর্বাঞ্চলে এই ঘটনা প্রথম।বাংলাদেশের দিকে নেমে যাওয়া একটা পাহাড়ের ঢালে সুড়ঙ্গ মুখটি পাওয়া যায়।বিএসএফ-এর মেঘালয় সীমান্ত অঞ্চলের আইজি পি. কে. দুবে বিবিসিকে জানিয়েছেন, “সুড়ঙ্গটি প্রায় ৫০-৬০ ফিট পর্যন্ত কাটা হয়েছে। মাটিও আলগা রয়েছে – অর্থাৎ সপ্তাহখানেকের মধ্যে এটি কাটা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তবে সীমান্তের কাঁটাতারের তলা দিয়ে বাংলাদেশ অবধি পৌঁছতে হলে আরও প্রায় ৫০ ফুট মতো কাটতে হতো।”ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে চোরাচালান বা মানব পাচারের জন্য সুড়ঙ্গ আগেও পাওয়া গেছে।সেখান দিয়ে উগ্রপন্থীরা ভারতে প্রবেশ করে, সেরকম ঘটনাও ঘটেছে।কিন্তু পূর্বাঞ্চলে এ ঘটনা একেবারেই নতুন, যেটা বিএসএফকে যথেষ্ট চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।কী কারণে সীমান্তের কাছে সুড়ঙ্গ কাটা হচ্ছিল তা নিয়ে বিএসএফ তদন্ত শুরু করেছে।বিএসএফের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার গিয়েছিলেন সুড়ঙ্গটি খতিয়ে দেখতে।আইজি মি. দুবে যেটা জানিয়েছেন, এই সুড়ঙ্গটি গরু বা মানুষ পাচার – দুটো কাজেই ব্যবহার করার জন্য কাটা হচ্ছিল বলেই তাদের মনে হচ্ছে।কিন্তু বিএসএফের কয়েকটি সূত্র বলছে, সুড়ঙ্গটা মাত্র তিন ফুট মতো চওড়া – তা দিয়ে গরু পাচার কার্যত অসম্ভব। হামাগুড়ি দিয়ে মানুষ ঢুকতে পারে বড়জোর।আর ওই এলাকায় যেহেতু জঙ্গীগোষ্ঠীগুলি সক্রিয়, তারাও নিজেদের ব্যবহারের জন্য এই সুড়ঙ্গ কাটছিল – এমনটাও হতে পারে বলে সূত্রগুলি জানাচ্ছে।তারা বলছেন, সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশের শেরপুর জেলার কর্ণঝোড়ায় বিজিবি-র সীমান্ত চৌকি আছে।সেখানে অবস্থানরত ২৭ নম্বর বিজিবি ব্যাটালিয়নকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ খবর

আরো খবর

আজকের সংবাদের প্রচারিত কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by GrameenFox