logo

সোমবার ২৬শে আগস্ট, ২০১৯ - ১১ই ভাদ্র, ১৪২৬ - ২৪শে জিলহজ্জ, ১৪৪০

শিরোনাম

কুড়িগ্রামে তিন কেজি ধানের মূল্যে ১ কেজি লবণ
২৫ মে, ২০১৯

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি: চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় ধানের ভালো ফলন দেখে কৃষকের যেমন আনন্দে মন ভরে গিয়েছিল ঠিক ফসল ঘরের তোলার সময় ধানের দাম না থাকায় কৃষকরা যেন নির্বাক হয়ে পড়েছে। ৩ কেজি ধানের মুল্যে ১ কেজি লবণ মিললেও এক মণ ধানে মিলছে না ১ কেজি মাংস কিংবা মাছ।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারীতে চলতি বোরো মৌসুমে ফলন বেশ ভালো হয়েছিল। ফলন দেখে কৃষকরাও বেশ খুশি ছিল, ছিল নানান স্বপ্ন, ছিল বুক ভরা আশা। কিন্তু আশা আর স্বপ্ন বিলিন করে দিয়েছে ধানের নিন্ম দাম। ধানের দাম নিয়ে অখুশি হয়ে পড়েছে কৃষক।
উজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, ধান প্রতি মন বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা। অথচ এক কেজি গরুর মাংসের দাম ৫৪০ টাকা খাশির মাংস ৭০০ টাকা এছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৪শত টাকা থেকে ১২শত টাকা।
কৃষক নজির হোসেন বলেন, ৬০ শতক জমির ধান চাষ ও সার বাবদ খরচ যা হয়েছে এখন ধান কাটতে শ্রমিককে দিতে বাকিটাও প্রায় শেষ। এখন লোকসান গুনতে হচ্ছে মণ প্রতি প্রায় দেড়শত টাকা পর্যন্ত। কৃষক হোসেন আলী বলেন, ধান বিক্রি করে শ্রমিকের মুল্য দিতেই মুলধন শেষ এছাড়াও ধানে দাম না থাকায় কেউ জমি বর্গা নিতেই চাচ্ছেনা। খয়বার হোসেন নামের একজন কৃষক বলেন, কৃষকেরা ধান বিক্রি করতে গেলে দাম পান না। কিন্তু কিনতে গেলে দাম চড়া। গরু বিক্রি করতে গেলে দাম কমে যায়। অথচ এখন এক মণ ধান বিক্রি করেও এক কেজি গরুর মাংস পাওয়া যাচ্ছে না।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে ৬হাজার ৮শত ৪০ হেক্টর জমিতে প্রায় ৩৭ হাজার ৬শত ৭৫ মেঃটন ধান উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে।
ব্যাপারে উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ খালেদুর রহমান বলেন, এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই এছাড়াও আমরা কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিচ্ছে যেন তারা ক্ষতির মুখে না পড়ে এবং লোকসান হলেও তা পুষিয়ে নিতে পারে।

সর্বশেষ খবর

আরো খবর

আজকের সংবাদের প্রচারিত কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by GrameenFox