logo

শনিবার ২৫শে মে, ২০১৯ - ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ - ১৯শে রমযান, ১৪৪০

শিরোনাম

মাদকে ভাসতেছে পর্যটন নগরী ইনানীঃদেখার কেউ নেই।
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

এফ.এম.আনোয়ার :: বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার অন্তর্গত কলাতলী থেকে ২৩ কিমি.অদূরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাএ পাথুরে সৈকত ইনানী বীচ।যেখানে গড়ে ওঠেছে ফাইভ স্টার মানের হোটেল রয়েল টিউলিপ।যেখানে নিয়মিত দেশ বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিদের আসা যাওয়া হয়।কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে কিছু স্থানীয় অসাধু বিপথগামী লোক কিছু স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছএছায়ায় বীচ এবং হোটেল এলাকাকে ঘিরে গড়ে তুলেছে রমরমা মাদক ব্যাবসা।

রয়েল টিউলিপের ডানেবামে হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে ইয়াবা,মদ ও ১২% ক্যান সহ বিভিন্ন মাদকজাত দ্রব্য।খোজ নিয়ে জানা যায় ঐ মাদক ব্যাবসায়ীরা স্থানীয় ইনানী পুলিশ ফাঁড়ি ও কোস্টগার্ডকে মাসিক মাসুহারা দিয়ে নির্ভয়ে চালীয়ে যাচ্ছে এই অবৈধ মাদক ব্যাবসা,এমনিই অভিযোগ নাম না প্রকাসে অনিচ্ছুক স্থানীয় লোকজন।।যার ফলে মাদক ব্যাবসা দিনদিন প্রসারিত ও স্থায়ী ব্যাবসায় রূপান্তরিত হচ্ছে।এই মাদক সিন্ডিকেট এতটাই সক্রিয় যে, আশপাশের পুরো এলাকায় তাদের একচ্ছএ রাজত্ব চলতেছে।যা টাকার বিনিময়ে মেনেজ হয়ে যাওয়া প্রশাসনের লোকেরা দেখেও না দেখার ভান করে আছে। এমনকি মায়ানমার সীমান্ত থেকে টেকনাফ হয়ে আসা মাদকের বড় বড় চালান দালালের মাধ্যমে পুলিশ ফাঁড়ির লোকজন হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।যা পরে আবার পুলিশের কিছু অসাধু লোক দালালদের বিক্রি করে বলে অভিযোগ ওঠেছে।

মাদকদ্রব্যের নতুন রোড় হিসেবে এখন মেরিন ড্রাইভ সড়কের পরিবর্তে সমুদ্র উপকূল দিয়ে চালান আসা যাওয়া হচ্ছে। সেখানে দায়িত্বরত ইনানী কোস্টগার্ডের সদস্যরাও দালালদের মাধ্যমে চালান ধরা পরার পর তা কারো অজান্তেই আবার দালালদের বিক্রি করে দিচ্ছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয় সচেতন মহল

এই ব্যাপারে স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির এস আই আরিফের সাথে মুটোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে তিনি তিনি আজকের সংবাদকে জানান, ওলটো অভিযোগ করে বলেন কিছু স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যাক্তি অবৈধ সুযোগসুবিধা চাওয়ায় না পেয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি নস্ট করার জন্য এসব অভিযোগ করছে বলে মন্তব্য করেছে।
অপরদিকে ইনানীর কোস্টগার্ডের ইনচার্জার সিরাজুল ইসলামের সাথে মুটোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনিও একই অভিযোগ জানান।
তবে প্রশ্ন হল, কারা এসব অবৈধ সুযোগসুবিধা চাওয়া ব্যাক্তি?কিন্তু স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ বরাবরই ইনানীর দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ফাঁড়ি এবং কোস্টগার্ডের অসাধু কিছু সিন্ডিকেটের দিকে।
কাদের অভিযোগ সত্য?কারাইবা আসলে জড়িত এই জগন্য সমাজ বিধ্বংসী কার্যক্রমের সাথে?তা বের করতে প্রশাসনের উচ্ছ পর্যায় থেকে অনুসন্ধানমূলক তদন্ত সাপেক্ষে মূল হোতাদের চিহ্নিত করা অতিব প্রয়োজন ও সময়ের দাবী।

সর্বশেষ খবর

আরো খবর

আজকের সংবাদের প্রচারিত কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by GrameenFox