logo

বুধবার ১৯শে জুন, ২০১৯ - ৫ই আষাঢ়, ১৪২৬ - ১৫ই শাওয়াল, ১৪৪০

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। সেই সাথে রনি ভাইয়ের জন্য অফুরন্ত ভালোবাসা।
১৬ এপ্রিল, ২০১৯

নিজেস্ব প্রতিবেদক::  দির্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীদের দাবি ছিলো, শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা পরিবহনের ব্যবস্থা করার। স্কুল আর অফিস টাইম একই সময় হওয়াতে রাস্তায় বাসের প্রায়ই সংকট থাকতো।

এই সংকটের অন্যতম কারণ হলো, মহানগরের ভেতর দুইটা ইপিজেড হওয়াতে বেশিরভাগ বাস সকাল এবং সন্ধ্যায় কোম্পানির হয়ে চুক্তি ভিত্তিক রিজার্ভ থাকে। তাই স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের বেশ বেগ পেতে হয় যাতায়াতে।

প্রথমত শিক্ষার্থীদের অফিসগামী লোকের সাথে পাল্লা দিয়ে বাসে উঠে কখনো ঝুলে কখনো ধাক্কাধাক্কি করে দাঁড়িয়ে স্কুলে পৌঁছাতে হয়। আর দ্বিতীয়ত সকালের সময় ভাড়া প্রায় ডাবল দিতে হয়। শিক্ষার্থীরা হাফ ভাড়া দিতে চাইলেই হেল্পার আর চালকের সাথে বাকবিতণ্ডা হতো নিত্যনৈমিত্তিক।

এই জন্য নূরুল আজিম রনি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা বাস দেওয়ার দাবি তোলে। জেলা প্রশাসক দাবির যৌক্তিকতা বুঝে রণিকে আশ্বস্ত করে দাবিটা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছাবে।

আনন্দের বিষয় হইলো, চট্টগ্রামের স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের কষ্টের বিষয়টা প্রধানমন্ত্রী অনুধাবন করে বি আর টি সি’র দশটা বাস বরাদ্দ দিয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রীর সেই চিঠিটা মহানগরের সকল স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের পক্ষে জেলা প্রশাসক থেকে গ্রহণ করছে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের মহানায়ক ছাত্রবীরে ভূষিত নুরুল আজিম রণি।

রণি একটা ধারণা এতোদিনে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছে যে, ছাত্র রাজনীতি করতে চাইলে পদ পদবীর বাইরে থেকেও শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করা যায়।

ছাত্রলীগের জন্য নুরুল আজিম রণি অপ্রতিদ্বন্দ্বী, অপ্রতিরোধ্য এক দুর্বার ছাত্রনেতার নাম। ছাত্রলীগ কবে আরেকটা নুরুল আজিম রণি তৈয়ার করতে পারবে- সেটাই দেখার অপেক্ষায় আছে আমার মতো ছাত্রলীগ প্রেমিকেরা।

আরো খবর

আজকের সংবাদের প্রচারিত কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by GrameenFox