logo

শনিবার ২৫শে মে, ২০১৯ - ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ - ১৯শে রমযান, ১৪৪০

শিরোনাম

চট্টগ্রামের হাওড়-নদীতে অতিথি পাখির মিলনমেলা
২৬ জানুয়ারি, ২০১৭

jiশীতকাল মানে হাওড়, বিল, জলাশয় ও নদীতে অতিথি পাখিদের মিলনমেলা। প্রতিবছর শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেশে অতিথি পাখির আগমনও বেড়ে যায়। অনেকে এদের পরিযায়ী পাখিও বলে। এসময় ঝাঁকে ঝাঁকে অথিতি পাখির কলকাকলিতে ভরে উঠে দেশের নানা প্রান্তের বিভিন্ন হাওর, বাঁওড়, জলাশয়।

জীবন বাঁচাতে শুধুমাত্র একটু উষ্ণতার আশায় হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন দেশে যেখানে শীত অপেক্ষাকৃত কম সেসব দেশে যায় এসব পাখি।তাছাড়া এ সময়টাতে বিভিন্ন দেশের শীতপ্রধান এলাকায় খাবারেও দেখা যায় প্রচণ্ড অভাব। কারণ শীতপ্রধান এলাকায় এ সময় তাপমাত্রা থাকে অধিকাংশ সময় শূন্যেরও বেশ নিচে। সেই সাথে রয়েছে তুষারপাত। এই সময়টাতে কোনো গাছপালা জন্মাতেও পারে না এবং পশুপাখি বসবাসের ও অনুপযোগী হয় । তাই শীত এলেই বরফ শুভ্র হিমালয় এবং হিমালয়ের ওপাশ থেকেই এবং সাইবেরিয়া, ইউরোপ, এশিয়ার কিছু অঞ্চল থেকে এই পাখিগুলো আসে।

আমাদের দেশে মোট প্রায় ৬২৮ প্রজাতির পাখি আছে। এর মধ্যে ২৪৪ প্রজাতির পাখিই স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে বাস করে না।শীতের শুরুতেই এরা আসতে থাকে দল বেঁধে। পুরো শীত মৌসুম পর্যন্ত আসে তারা। থাকে মাত্র কয়েক মাস।এই অতিথি পাখির এই আগমন প্রকৃতিতে ভিন্ন সৌন্দর্য বয়ে আনে। বসন্তের সময় মানে মার্চ-এপ্রিলের দিকে শীতপ্রধান অঞ্চলের বরফ গলতে শুরু করলে তারা আবার দলবদ্ধ হয়ে ফিরে যেতে থাকে নিজেদের দেশে।

আগত অতিথি পাখিদের মধ্যে যেসব পাখি বেশি দেখা যায় এর মধ্যে রয়েছে— ডাহুক, কালাম, বক, ছোট সরালি, বড় সরালি, টিকিহাঁস, মাথা মোটা টিটি, চোখাচোখি, গাংচিল, গাংকবুতর, চ্যাগা, জলমোরগ, বালি হাঁস, লেঞ্জা হাঁস, পাতারি হাঁস, বৈকাল হাঁস, গিরিয়া হাঁস, ধূসর রাজহাঁস, ভূতি হাঁস বইধরসহ নাম না জানা অনেক পাখি।আরো আছে পান্তামুখী, লালশির, নীলশির, রাঙ্গামুরি, পাথরঘুরানি বাতান, আরো কতো নাম ও জাত।

প্রতিবছরের মতো এবারও শীত জেঁকে বসতে শুরু করেছে চট্টগ্রামের বিভিন্ন লোকালয়ে । তাই পার্বত্য চট্টগ্রামের কর্ণফূলী নদী, ফটিকছড়ি, হাটহাজারী, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ির বিল, হাওড়, পুকুরে ভরে যাচ্ছে রংবেরঙের নাম না জানা নানা প্রজাতির অতিথি পাখিতে।

সর্বশেষ খবর

আরো খবর

আজকের সংবাদের প্রচারিত কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ

Developed by GrameenFox